হজ আরবি শব্দ। যার অর্থ ইচ্ছা করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরআন ও হাদিস অনুসারে নিয়ম-কানুন মেনে নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র কাবা শরিফ ও সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরিভ্রমণ (তাওয়াফ) করা এবং বিশেষ প্রার্থনা করা। বুখারি শরিফের হাদিসে উল্লেখ করা আছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর ওপর পূর্ণ ঈমান ও বিশ্বাস, নামাজ, জাকাত, রোজা ও হজ হচ্ছে ইসলামের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভ। আর পবিত্র হজ পালন হচ্ছে ইসলামের এ স্তম্ভগুলোর অন্যতম। কোরআনের পবিত্র সূরা আল ইমরান ও সূরা বাকারার মাধ্যমে হজকে আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। হাদিস গ্রন্থ বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফসহ সহিহ সব হাদিসেও ফরজ হজের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। তবে দৈহিক অসুস্থতা ও আর্থিক দৈন্যমুক্ত ব্যক্তির জন্য হজ একবারই ফরজ করা হয়েছে।
পরে একাধিকবার হজকে নফলের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। হাদিসে তিন ধরনের হজের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো হচ্ছে- ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু। আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হজযাত্রীরা তামাত্তু হজ পালন করে থাকি। যারা ইহরাম বাঁধার নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে হজ পালন করেন তারা ইফরাদ, যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে ওই একই ইহরামে হজ ও উমরাহ পালন করেন তারা কিরান এবং যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে উমরাহ পালন করেন এবং হজের জন্য আবার মক্কা থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় যাওয়ার মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন, তারাই তামাত্তু হজ পালন করেন।
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে।
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে।
হজ
আরবি শব্দ। যার অর্থ ইচ্ছা করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে
কোরআন ও হাদিস অনুসারে নিয়ম-কানুন মেনে নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র কাবা শরিফ ও
সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরিভ্রমণ (তাওয়াফ) করা এবং বিশেষ প্রার্থনা করা।
বুখারি শরিফের হাদিসে উল্লেখ করা আছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর ওপর
পূর্ণ ঈমান ও বিশ্বাস, নামাজ, জাকাত, রোজা ও হজ হচ্ছে ইসলামের প্রধান
পাঁচটি স্তম্ভ। আর পবিত্র হজ পালন হচ্ছে ইসলামের এ স্তম্ভগুলোর অন্যতম।
কোরআনের পবিত্র সূরা আল ইমরান ও সূরা বাকারার মাধ্যমে হজকে আর্থিক ও
শারীরিক সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। হাদিস গ্রন্থ বুখারি শরিফ ও
মুসলিম শরিফসহ সহিহ সব হাদিসেও ফরজ হজের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
তবে দৈহিক অসুস্থতা ও আর্থিক দৈন্যমুক্ত ব্যক্তির জন্য হজ একবারই ফরজ করা
হয়েছে। পরে একাধিকবার হজকে নফলের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। হাদিসে তিন ধরনের
হজের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো হচ্ছে- ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু। আমরা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হজযাত্রীরা তামাত্তু হজ পালন করে থাকি। যারা ইহরাম
বাঁধার নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে হজ পালন করেন তারা ইফরাদ,
যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে ওই একই ইহরামে হজ ও উমরাহ
পালন করেন তারা কিরান এবং যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে
উমরাহ পালন করেন এবং হজের জন্য আবার মক্কা থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় যাওয়ার
মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন, তারাই তামাত্তু হজ পালন করেন।
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজ
আরবি শব্দ। যার অর্থ ইচ্ছা করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে
কোরআন ও হাদিস অনুসারে নিয়ম-কানুন মেনে নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র কাবা শরিফ ও
সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরিভ্রমণ (তাওয়াফ) করা এবং বিশেষ প্রার্থনা করা।
বুখারি শরিফের হাদিসে উল্লেখ করা আছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর ওপর
পূর্ণ ঈমান ও বিশ্বাস, নামাজ, জাকাত, রোজা ও হজ হচ্ছে ইসলামের প্রধান
পাঁচটি স্তম্ভ। আর পবিত্র হজ পালন হচ্ছে ইসলামের এ স্তম্ভগুলোর অন্যতম।
কোরআনের পবিত্র সূরা আল ইমরান ও সূরা বাকারার মাধ্যমে হজকে আর্থিক ও
শারীরিক সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। হাদিস গ্রন্থ বুখারি শরিফ ও
মুসলিম শরিফসহ সহিহ সব হাদিসেও ফরজ হজের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
তবে দৈহিক অসুস্থতা ও আর্থিক দৈন্যমুক্ত ব্যক্তির জন্য হজ একবারই ফরজ করা
হয়েছে। পরে একাধিকবার হজকে নফলের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। হাদিসে তিন ধরনের
হজের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো হচ্ছে- ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু। আমরা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হজযাত্রীরা তামাত্তু হজ পালন করে থাকি। যারা ইহরাম
বাঁধার নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে হজ পালন করেন তারা ইফরাদ,
যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে ওই একই ইহরামে হজ ও উমরাহ
পালন করেন তারা কিরান এবং যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে
উমরাহ পালন করেন এবং হজের জন্য আবার মক্কা থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় যাওয়ার
মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন, তারাই তামাত্তু হজ পালন করেন।
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজ
আরবি শব্দ। যার অর্থ ইচ্ছা করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে
কোরআন ও হাদিস অনুসারে নিয়ম-কানুন মেনে নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র কাবা শরিফ ও
সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরিভ্রমণ (তাওয়াফ) করা এবং বিশেষ প্রার্থনা করা।
বুখারি শরিফের হাদিসে উল্লেখ করা আছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর ওপর
পূর্ণ ঈমান ও বিশ্বাস, নামাজ, জাকাত, রোজা ও হজ হচ্ছে ইসলামের প্রধান
পাঁচটি স্তম্ভ। আর পবিত্র হজ পালন হচ্ছে ইসলামের এ স্তম্ভগুলোর অন্যতম।
কোরআনের পবিত্র সূরা আল ইমরান ও সূরা বাকারার মাধ্যমে হজকে আর্থিক ও
শারীরিক সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। হাদিস গ্রন্থ বুখারি শরিফ ও
মুসলিম শরিফসহ সহিহ সব হাদিসেও ফরজ হজের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
তবে দৈহিক অসুস্থতা ও আর্থিক দৈন্যমুক্ত ব্যক্তির জন্য হজ একবারই ফরজ করা
হয়েছে। পরে একাধিকবার হজকে নফলের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। হাদিসে তিন ধরনের
হজের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো হচ্ছে- ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু। আমরা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হজযাত্রীরা তামাত্তু হজ পালন করে থাকি। যারা ইহরাম
বাঁধার নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে হজ পালন করেন তারা ইফরাদ,
যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে ওই একই ইহরামে হজ ও উমরাহ
পালন করেন তারা কিরান এবং যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে
উমরাহ পালন করেন এবং হজের জন্য আবার মক্কা থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় যাওয়ার
মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন, তারাই তামাত্তু হজ পালন করেন।
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজ
আরবি শব্দ। যার অর্থ ইচ্ছা করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে
কোরআন ও হাদিস অনুসারে নিয়ম-কানুন মেনে নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র কাবা শরিফ ও
সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরিভ্রমণ (তাওয়াফ) করা এবং বিশেষ প্রার্থনা করা।
বুখারি শরিফের হাদিসে উল্লেখ করা আছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর ওপর
পূর্ণ ঈমান ও বিশ্বাস, নামাজ, জাকাত, রোজা ও হজ হচ্ছে ইসলামের প্রধান
পাঁচটি স্তম্ভ। আর পবিত্র হজ পালন হচ্ছে ইসলামের এ স্তম্ভগুলোর অন্যতম।
কোরআনের পবিত্র সূরা আল ইমরান ও সূরা বাকারার মাধ্যমে হজকে আর্থিক ও
শারীরিক সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। হাদিস গ্রন্থ বুখারি শরিফ ও
মুসলিম শরিফসহ সহিহ সব হাদিসেও ফরজ হজের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
তবে দৈহিক অসুস্থতা ও আর্থিক দৈন্যমুক্ত ব্যক্তির জন্য হজ একবারই ফরজ করা
হয়েছে। পরে একাধিকবার হজকে নফলের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। হাদিসে তিন ধরনের
হজের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো হচ্ছে- ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু। আমরা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হজযাত্রীরা তামাত্তু হজ পালন করে থাকি। যারা ইহরাম
বাঁধার নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে হজ পালন করেন তারা ইফরাদ,
যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে ওই একই ইহরামে হজ ও উমরাহ
পালন করেন তারা কিরান এবং যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে
উমরাহ পালন করেন এবং হজের জন্য আবার মক্কা থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় যাওয়ার
মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন, তারাই তামাত্তু হজ পালন করেন।
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজ
আরবি শব্দ। যার অর্থ ইচ্ছা করা। অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে
কোরআন ও হাদিস অনুসারে নিয়ম-কানুন মেনে নির্দিষ্ট সময়ে পবিত্র কাবা শরিফ ও
সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো পরিভ্রমণ (তাওয়াফ) করা এবং বিশেষ প্রার্থনা করা।
বুখারি শরিফের হাদিসে উল্লেখ করা আছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.)-এর ওপর
পূর্ণ ঈমান ও বিশ্বাস, নামাজ, জাকাত, রোজা ও হজ হচ্ছে ইসলামের প্রধান
পাঁচটি স্তম্ভ। আর পবিত্র হজ পালন হচ্ছে ইসলামের এ স্তম্ভগুলোর অন্যতম।
কোরআনের পবিত্র সূরা আল ইমরান ও সূরা বাকারার মাধ্যমে হজকে আর্থিক ও
শারীরিক সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। হাদিস গ্রন্থ বুখারি শরিফ ও
মুসলিম শরিফসহ সহিহ সব হাদিসেও ফরজ হজের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
তবে দৈহিক অসুস্থতা ও আর্থিক দৈন্যমুক্ত ব্যক্তির জন্য হজ একবারই ফরজ করা
হয়েছে। পরে একাধিকবার হজকে নফলের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। হাদিসে তিন ধরনের
হজের কথা উল্লেখ আছে। এগুলো হচ্ছে- ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু। আমরা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হজযাত্রীরা তামাত্তু হজ পালন করে থাকি। যারা ইহরাম
বাঁধার নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে হজ পালন করেন তারা ইফরাদ,
যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে ওই একই ইহরামে হজ ও উমরাহ
পালন করেন তারা কিরান এবং যারা নির্দিষ্ট স্থান (মিকাত) থেকে ইহরাম বেঁধে
উমরাহ পালন করেন এবং হজের জন্য আবার মক্কা থেকে ইহরাম বেঁধে মিনায় যাওয়ার
মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন, তারাই তামাত্তু হজ পালন করেন।
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf
হজের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের হজযাত্রীদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর। যদিও চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে ১৪ অক্টোবর। বিমান বা অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিডিউলের কারণে আপনাকে গড়ে ১৫ দিন আগে মক্কা গিয়ে হজ পালনের ৭ থেকে ১০ দিন পর দেশে ফিরে আসতে হয়। যেহেতু হজের অনেক দিন আগেই আপনাকে সৌদি আরব যেতে হয়, তাই হজে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রস্তুতি পর্ব আপনাকে আগেভাগেই সেরে নিতে হবে। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি আপনি হজে যান, উভয়ক্ষেত্রেই আপনাকে এসব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে আপনাকেও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ এবং নিজেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে সম্পূর্ণভাবে সমর্পণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে দোয়া নিতে হবে বা কবর জিয়ারত করতে হবে এবং পরিবারের দায়-দায়িত্ব স্ত্রী, ছেলেমেয়ে, ভাই বা অন্য কাউকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে দিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া হজের প্রস্তুতি হিসেবে যথাসময়ে ব্যাংকে হজের নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দেয়া এবং টাকা জমা দেয়ার রসিদটি ভালোভাবে সংরক্ষণে রাখতে হবে। নিজ নিজ জেলার ডিসি অফিস থেকে হজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও সিভিল সার্জন অফিস থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে। হজ ফ্লাইটের দিন, তারিখ ও সময় জেনে নিয়ে আপনাকে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করতে হবে অর্থাৎ বেসরকারি হজ এজেন্সি বা সরকারি সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে এগুলো সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত হজ ফ্লাইটের এক বা দুই দিন আগে হজ ক্যাম্পে আসতে হবে। তার আগে আপনাকে মাঝারি আকারের একটি স্যুটকেস বা ব্যাগ (লাগেজ), হাতে রাখার জন্য একটি ছোট ব্যাগ, গলায় ঝুলানোর জন্য একটি হজ ব্যাগ এবং কোমরে বাঁধার জন্য একটি কাপড়ের বা চামড়ার হালকা বেল্ট সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাগ ও স্যুটকেসের ওপর ইংরেজিতে আপনার নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর, মোয়াল্লেম নম্বর, দেশের নাম স্পষ্ট করে লিখে রাখতে হবে, যাতে এগুলো হারিয়ে গেলে খোঁজ করে পাওয়া যায়। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমাসহ কোনো জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তবে আপনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। তাছাড়াও পেট ফাঁপা, বদহজম, সর্দিজ্বর, ব্যথা, পেটের অসুখ বা এ ধরনের সংক্রামক অসুখ নিরাময়ের জন্যও যৎসামান্য ওষুধ সঙ্গে নিতে পারেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। - See more at: http://www.jugantor.com/islam-and-life/2013/08/30/24469#sthash.9Ov8XZwg.dpuf

No comments:
Post a Comment